পাসপোর্ট কার্যালয়ের দুই কর্মচারীসহ ৮ জনের কারাদণ্ড

আপডেট : December, 14, 2015, 6:57 pm

তাঁরা রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর আঞ্চলিক পাসপোর্ট কার্যালয়ের পরিচ্ছন্নতাকর্মী। কিন্তু অফিস সহকারীর ভুয়া পরিচয়পত্র বানিয়ে তা গলায় ঝুলিয়ে রেখেছেন। তাঁদের কাজ পাসপোর্ট কার্যালয়ের দালাল চক্রের কাজে সহায়তা করা। এ দালাল চক্র দ্রুত পাসপোর্ট করার কথা বলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয় মোটা অঙ্কের টাকা। পরে টাকার ভাগাভাগি হয়।

আজ সোমবার ওই কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে দুই পরিচ্ছন্নতাকর্মীসহ আটজনকে আটক করেছে র‍্যাব। তাঁদের কাছ থেকে তিন লাখ ৮২ হাজার ৫৭১ টাকা, বিভিন্ন ব্যক্তির ১৩টি পাসপোর্ট, আটটি মুঠোফোন সেট ও ১৫টি পূরণ করার পাসপোর্টের ফরম জব্দ করা হয়। পরে র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম তাঁদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন, পরিচ্ছন্নতাকর্মী রফিকুল ইসলাম ও শিবা দাস এবং দালাল চক্রের সদস্য মো. বায়েজীদ, আবু হানিফ, শ্যামল হোসেন, শহিদুল ইসলাম, মো. মোস্তফা ও আনোয়ার হোসেন।
ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম প্রথম আলোকে বলেন, আজ বিকেল পাঁচটার দিকে যাত্রাবাড়ীর রায়েরবাগে ওই কার্যালয়ের অভিযান চালানো হয়। অভিযানে দেখা যায়, পাসপোর্ট করতে যাওয়া সাধারণ মানুষের কাছ থেকে চুক্তিতে পাসপোর্ট করার কথা বলে অতিরিক্ত আদায় করছিল একটি চক্র। তখন হাতেনাতে আটজনকে আটক করা হয়। পরে দেখা যায় এদের মধ্যে দুজন কার্যালয়ের পরিচ্ছন্নতাকর্মী আর বাকিরা দালাল। ওই পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা অফিস সহকারীর ভুয়া পরিচয়পত্র বানিয়ে তা গলায় ঝুলিয়ে রেখেছেন। পরে দুই পরিচ্ছন্নতাকর্মী স্বীকার করেন, চুক্তিতে পাসপোর্ট গ্রহীতাদের পাসপোর্ট করিয়ে দেওয়ার কাজ এগিয়ে নেওয়ার জন্য তাঁরা মিথ্যা পরিচয়পত্র লাগিয়েছেন। এভাবে মিথ্যা পরিচয় বহন করে দালালচক্রকে সহায়তা করার অভিযোগ দুই পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে ১৫ দিনের এবং বাকি ছয়জনকে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।