জলোচ্ছ্বাস ও পাহাড় ধস দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও করণীয়র উপর সোনাগাজীতে আলোচনা সভা

আপডেট : June, 26, 2016, 6:43 pm

কাওছার উদ্দিন উজ্জল->>>

১৯৩০ সালে তৎকালীন সরকার সোনাগাজী উপজেলা সহ ফেনী জেলাকে জোয়ারের লোনা পানি ও জলোচ্ছ্বাস ও প্রাকৃতিক দূর্যোগ থেকে রক্ষা করার জ ন্য প্রায় ১ কি:মি: বেড়িবাঁধ নির্মাণ করেন। কালের বিবর্তণে ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের অবস্থাপনার কারণে ওই বেড়িবাঁধ গুলো আজ অস্বস্তিত্বহীন। যার কারণে একটু জোয়ার হলে হাজার হাজার একর ফসলী জমির ফসল লোনা পানিতে নষ্ট হয়ে যায়। উপকুলীয় অঞ্চল পশু পালনের একমাত্র স্থান। কৃষকের পানিগুলো জোয়ারের পানিতে ভাসিয়ে নিয়ে যায় এবং লোনা পানির কারণে সবুজ ঘাস জন্মে না। যার কারণে পশু পালন কমে যাচ্ছে উপকুলীয় অঞ্চলে। জলোচ্ছ্বাস ও জোয়ারের লোনা পানি থেকে রক্ষা করার জন্য স্থায়ী সমাধান হল ওই বেড়িবাঁধগুলো পুন: নির্মাণ করা। এ সময় বক্তারা আরো বলেন, নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার নব নির্মিত মুছাপুর রেগুলেটর থেকে মুহুরী প্রকল্প পর্যন্ত ২৫ কি: মি: আউটার বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা জরুরী। তা নির্মাণ করা হলে উপকুলীয় লক্ষ লক্ষ লোকের জীবন মান উন্নয়ন জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষা পাবে।জলোচ্ছ্বাস ও পাহাড় ধস দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও করণীয়র উপর  সোনাগাজী উপজেলা মিলনায়তনেএক আলোচনা সভায় বক্তারা এ সব কথা বলেন।

উক্ত অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরীফা হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান জেড. এম. কামরুল আনাম। এ সময় বক্তারা বলেন ফেনী জেলা সহ সোনাগাজী উপজেলার প্রায় ১৫ লক্ষাধিক লোকের বসবাস। প্রতি বছর জোয়ারের লোনা পানি ও জলোচ্ছ্বাসের কারণে লক্ষ লক্ষ উপকুলীয় বাসীর ব্যাপক ক্ষতি সাধন হচ্ছে। এ জন্য সরকারের বরাদ্দকৃত ত্রাণ সমাগ্রী অপ্রতুল। এর স্থায়ী সমাধান করা দরকার।  সেমিনারে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান (মহিলা) জোবেদা নাহার মিলি, বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, সচিব, সাংবাদিক ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।