ছাগলনাইয়া পৌর মেয়রের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

আপডেট : August, 7, 2016, 4:39 pm

বিশেষ প্রতিনিধি->>>

বাজারের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় ছাগলনাইয়া পৌরসদরের ব্যবসায়ীদের কাউন্সিলিংয়ের উদ্যোগ নিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। এর অংশ হিসেবে রোববার মুরগী ও মাংস ব্যবসায়ীদের কাউন্সিলিং করা হয়। পৌর মেয়র এম মোস্তফার ওইদিন বিকেল ৪টায় পৌর মিলনায়তনে উপস্থিত প্রায় অর্ধশত ব্যবসায়ীর কাছে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সুফল ও বিভিন্ন কলা কৌশল তুলে ধরেন। ব্যবসায়ীরা পৌর মেয়রের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে পরিচ্ছন্নতা রক্ষার সকল নিয়ম কানুন মেনে চলার আশ্বাস দেন।
পৌর মেয়র মুরগী ও মাংস ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে কাঁচা বাজার এলাকায় একটি নলকূপ স্থাপনের আশ্বাস দেন।
পৌর সচিব আবদুুল হাইয়ের সঞ্চালনায় কাউন্সিলিং অনুষ্ঠানে ছাগলনাইয়া বাজারের ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন,বাসার সিটি কমপ্লেক্সের পরিচালক ও ছাগলনাইয়া প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি জাহাংগীর কবির লিটন, ওষুধ ব্যবসায়ী ও ছাগলনাইয়া প্রেসক্লাবের প্রচার সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন পাটোয়ারী,মানবাধিকার নেতা মেজবাহ উদ্দিন, মাংস ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন,কবির আহম্মদ,আরিফ হোসেন, মাছ ব্যবসায়ী মাঈন উদ্দিন মালু প্রমুখ।
বক্তরা ব্যবসায়ী ও সর্বসাধারনের সুবিধার জন্য বাজারের বর্জ্য ও পয়োঃনিস্কাষন ব্যবস্থার উন্নয়ন,ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়ন ও পরিস্কার করার উপর জোর।


এ সময় পৌর মেয়র এম মোস্তফা বলেন,বাজার পরিস্কার রাখতে হলে জনসাধারণের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাজারের মাছ ও মুরগীর বর্জসমুহ স্ব স্ব ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে রাত ৯টার মধ্যে নির্দ্দিষ্ট ডাস্টবিনের মধ্যে এনে রাখতে হবে। মাছ বাজার ও মুরগী বাজারের ড্রেনগুলি ইতিমধ্যে সংস্কারের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে মাংস ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে মেয়র বলেন,‘জনস্বার্থে আপনারা মাংস ফ্রিজার্ভ করে বিক্রি করবেন না।
প্রয়োজনে দিন শেষে জিরো পয়েন্টে এনে বিক্রি করে ফেলবেন। পচাঁ- বাসী মাংস বিক্রি করা যাবে না। আপনারা যাতে সুন্দর পরিবেশে ব্যবসা করতে পারেন এ ব্যাপারে পৌর সভার পক্ষ থেকে সব ধরণের সহযোগীতা করা হবে। তবে সকল ব্যবসায়ীকে ট্রেড লাইসেন্স করতে হবে। ট্রেড লাইন্সেস ছাড়া কোন ব্যবসায়ী পৌর এলাকায় ব্যবসা করতে পারবে না। বাজারের ব্যবসায়ীদের সুবিধার জন্য ইতিমধ্যে বাজারের মধ্যে তিনটি বড় ডাস্টবিন তৈরী করা হয়েছে। প্রয়োজনে আরো তৈরী করা হবে।’ তবে এ ব্যাপারে সকল ব্যবসায়ীদের সার্বিক সহযোগীতা চাইলেন পৌর মেয়র এম মোস্তফা।