মুছাপুর ক্লোজারে চলছে চাঁদাবাজি ও খাস জমি দখলের মহোৎসব

আপডেট : August, 23, 2016, 4:44 pm

বিশেষ প্রতিনিধি->>>

ফেনীর সোনাগাজী ওকোম্পানীগঞ্জের মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত মুছাপুর ক্লোজারে ভূমি দখলের মহোৎসব, দর্শনার্থীবাহী যানবাহন থেকে চাঁদা আদায় করছে অসাধু কিছু ব্যাক্তি। এটি ধমনে প্রসাশনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে ভ্রমন পিপাসুরা। উল্লেখ্য,ফেনীর সোনাগাজী দক্ষিন পশ্চিম ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণাঞ্চল দিয়ে বয়ে যাওয়া ছোট ফেনীর নদীর উপর নির্মিত মুছাপুর ক্লোজার (নদীর পানি প্রবাহ বন্ধে বিশেষ ব্যাবস্থা) সম্ভাবনাময় প্রকল্পের বাস্তবায়ন। এর বাস্তবায়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের হিসাবে বছরে অতিরিক্ত ২,৪৬,০০০ মেট্রিকটন খাদ্য উৎপাদন হবে এবং রক্ষা পাবে ১,৩০,০০০হেক্টর জমি। এই ক্লোজারের কারনে নোয়াখালী, ফেনী ও কুমিল্লা জেলার নিন্মাঞ্চলগুলোতে নোনা পানি প্রবেশ বন্ধ রয়েছে ফলে এলাকার আর্থসামাজিক উন্নয়ন ঘটতে চলছে। যা বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ধারার একটি অংশ। অপরদিকে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য সৃষ্টি হওয়ায় অনেকের দৃষ্টিতে ছোট ফেনীর নদীর মাঝে ক্লোজার ২৩ ভল্ট রেগুলেটর নির্মাণের ফলে নদীর জলরাশি মিলে এক নয়নাভিরাম পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। সেই দৃশ্য উপভোগ করতে ফেনী সহ এর আশেপাশের জেলাগুলো থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার প্রকৃতিপ্রেমির উপছে পড়া ভিড় করে। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কিছু অসাধু ব্যাক্তি দর্শনার্থীদের যাতায়াতের মাধ্যম মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, পিকাপ, বাস ইত্যাদি থেকে টোল আদায়ের নামে চাঁদা আদায় করছে পাশাপাশি ভূমিদস্যুরা কেওড়া বন উজাড় করে ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের খাস জমি দখলে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। এটি নিরসনে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে দর্শনার্থীরা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করা হলে তারা জানান, রেগুলেটর এলাকায় টোল আদায়ের জন্য কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ইজারা দেয়া হয়নি। এটি টোল আদায়ের নামে চাঁদাবাজি ও সম্পুর্ন বে-আইনি।