সোনাগাজীর নবাবপুরে ছাত্রলীগ-যুবলীগ সংঘর্ষে আহত ৭-মামলার প্রস্তুতি

আপডেট : September, 17, 2016, 2:10 pm

 

জাবেদ হোসাইন মামুন->>>

মুদি দোকানের পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে সোনাগাজীর নবাবপুর ইউনিয়নের মহদিয়া গ্রামে ছাত্রলীগ – যুবলীগের সংঘর্ষে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক সহ ৭ জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। শুক্রবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে এঘটনা ঘটে। আহতরা হচ্ছে, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আবদুল মোতালেব রবিন, স্থানীয় যুবলীগ নেতা ও ইউপি সদস্য আরিফুল ইসলাম হীরা, নবাবপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারন সম্পাদক ও ইউপি সদস্য আমজাদ হোসেন বাচ্চু, তার মা সকিনা খাতুন, ভাগ্নে রিয়াদ, স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা তুহিন এবং মুদি দোকানী নুর মোহাম্মদ। পুলিশ, এলাকাবাসী ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মহদিয়া গ্রামের মুদি দোকানী নুর মোহাম্মদ স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা তুহিনের কাছে রাত ১০টার দিকে বকেয়া টাকা চাইলে দু’জনের মধ্যে হাতাহাতি হয়। খবর পেয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আবদুল মোতালেব রবিন বিষয়টি মীমাংসার জন্য ঘটনাস্থলে গেলে ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারন সম্পাদক ও স্থানীয় ইউপি সদস্য আমজাদ হোসেন বাচ্চু ও তার সহযোগিদের সাথে সংঘর্ষ বাধে। এ ঘটনার জের ধরে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আবদুল মোতালেব আহত হওয়ার খবর শুনে রাত সাড়ে ১১টার দিকে স্থানীয় যুবলীগ নেতা আরিফুল ইসলাম হীরার নেতৃত্বে ৩০/৩৫ ছাত্রলীগ-যুবলীগ নেতাকর্মী ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারন সম্পাদক আমজাদ হোসেন বাচ্চুর বাড়িতে গিয়ে হামলা করে। এসময় তারা তার ঘরের দরজা জানালা ভাংচুর করে এবং তার মা সখিনা খাতুন ও ভাগ্নে রিয়াদকে কিল ঘুষি লাথি মেরে আহত করে। এঘটনায় আমজাদ হোসেন বাচ্চু মেম্বার বাদি হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে ও ১৫/২০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে সোনাগাজী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। আপরদিকে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আবদুল মোতালেব রবিনের উপর হামলার অভিযোগ এনে নাবাবপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের উদ্যোগে স্থানীয় ভোর বাজারে শনিবার সন্ধ্যার পর বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়েছে।

সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মো. হুমায়ূন কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আবদুল মোতালেব রবিনও ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তার পক্ষ থেকেও মামলার প্রস্তুতি চলছে। আমজাদ হোসেন বাচ্চু মেম্বার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।