সাদা মনের মানুষ এম.তাজুল ইসলাম

আপডেট : January, 3, 2017, 7:03 am

বিশেষ প্রতিনিধি->>>

জর্জ বর্নাড়’শ বলেছেন, রিজেনেবল বা বাস্তববাদী মানুষেরা পৃথিবীর সঙ্গে নিজেদের খাপ খাইয়ে নেন। দূঃসাহসী মানুষ পৃথিবীকে পরিবর্তন করেন। পৃথিবীর সকল অগ্রগতিই দূঃসাহসী মানুষের উপর নির্ভরশীল। সত্যিকারের নেতৃত্ব শুধু সাহসীই নয়, দূঃসাহসীও বটে। দূঃসাহসীকতাই ব্যক্তিকে অসাধারন করে এবং নেতা বানায়। নেতৃত্বের প্রধান সোপান আত্মবিশ্বাস। যার আত্মবিশ্বাস দূর্বল তিনি নেতা হতে পারেন না। নেতা কোন বাধা মানতে নারাজ। বিদ্রোহী কবি নজরুলের ভাষায়, নেতা সেই ব্যক্তি : প্রবল অটল বিশ্বাস যার, নিঃশ্বাস প্রশ্বাসে। যৌবন যার জীবনের ঢেউ, কলতরঙ্গে হাসে। মরা মৃত্তিকা করে প্রাণায়িত, শস্য – কুসুমে ফলে,কোন বাধা তার রোধেনাকো পথ, কেবলি সম্মুখে চলে।
নজরুলের কবিতাংশটি ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিঃ- এর সাবেক সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইনসিওরেন্স কোং – এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এম. তাজুল ইসলামের ক্ষেত্রে শতভাগ প্রযোজ্য। একজন সফল উদ্যোক্তা, ব্যাংকার ও বীমাবিদ এম. তাজুল ইসলাম নিবৃত দানবীর এবং প্রচার বিমুখ একজন সাদা মনের মানুষ।
ফেনী সদর উপজেলার কালিদহ ইউপি’ র আলোকদিয়া গ্রামের মরহুম বদু মিয়া মৌলভীর সুযোগ্য সন্তান এম. তাজুল ইসলাম। অত্যন্ত মেধা সম্পন্ন জনাব তাজুল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম. কম প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হয়ে মেধার স্বাক্ষর রাখেন।
অজানাকে জানার, অচেনাকে চেনার দূরন্ত ইচ্ছা নিয়ে তিনি বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের অধীনে প্রথম শ্রেনীর কর্মকর্তা হিসাবে চাকুরী জীবন শুরু করেন।
পাহাড়ের পাদদেশে দাড়িয়ে এম. তাজুল ইসলাম পাহাড়ের চুড়ায় আরোহণের স্বপ্ন দেখতেন। স্বপ্ন শুধু স্বপ্ন নয়। যোগ্যতা, দক্ষতা, অভিগ্গতা ও কঠোর শ্রমের বিনিময়ে স্বপ্নকে জয় করে তিনি আজ পাহাড়ের উচ্চতম শিখরের দূর্জেয় অভিযাত্রী।
দৃঢ় মনোবল এবং চরম আত্মবিশ্বাসই আজ তাকে পেশাদারিত্বের সফলতায় নিয়ে এসেছে। তিনি যখন যেখানেই হাত দিয়েছেন, তাতে সোনা ফলেছে। উপস্হিত বুদ্ধি,মানবিক গুণাবলী এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা ও নেতৃত্বগুণ এম. তাজুল ইসলামকে বিশালত্ব দিয়েছে।
মানুষের হ্রদয় জয় করার অন্যরকম অভাবনীয় সম্মোহনী শক্তি রয়েছে তার মাঝে। সদাহাস্যময় সুদর্শন এম. তাজুল ইসলামের সান্নিধ্যে যে কোন ব্যক্তি সম্মোহিত হয়ে যায়। মানুষের শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসায় সিক্ত এম. তাজুল ইসলাম। এসব বিবেচনায় চাকুরী জীবনে যেমন উন্নতির চরম শিখরের উচ্চপদে আসীন ছিলেন,তেমনি ব্যবসায়িক জীবনে দেশের প্রথম ইসলামী শরীয়া ভিত্তিক বীমা কোম্পানী ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইনসিওরেন্স- এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের সম্মানীত পদ অলংকৃত করেছেন। ইসলামী জেনারেল ইনসিওরেন্স- এর ভাইস চেয়ারম্যান এম.তাজুল ইসলাম সৌদি বাংলা গ্রুফ ও আজিজ কো- অপারেটিভ ক্রেডিট এন্ড কমার্স লিমিটেড-এর চেয়ারম্যান ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান- এর দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
শিক্ষা যাদের হ্রদয়ে আলো ছড়াতে পারেনি, সেসব কু- সংস্কারাচ্ছন্ন মানুষ কে এড়িয়ে চলেন তিনি। এড়িয়ে চলেন ধর্মীয় গোড়ামীকেও।
মরিতে চাইনা আমি সুন্দর ভূবনে, মানুষের মাঝে বেচে থাকার প্রাণান্তকর চেষ্টায় তিনি এলাকার মাদ্রাসা, মসজিদ, এতিমখানা, কন্যা দায়গ্রস্হ পিতার কন্যা সমর্পনে সাধ্যমত আর্থিক সহযোগিতা করে যাচ্ছেন।
বিরল মানবিক গুণ সম্পন্ন এই ব্যক্তি নিরন্নকে অন্ন দান, বস্ত্রহীনকে বস্ত্রদান, গরীব মেধাবী শিক্ষর্থীকে লেখাপড়ার খরচ যোগানো মানুষটির আনন্দের মাঝে অন্যতম।
এম.তাজুল ইসলামের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও উদ্যোগে দেশের হাজার হাজার শিক্ষিত বেকার যুবক চাকরী পেয়ে জীবনের গতি সফল করতে সক্ষম হয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক বুনিয়াদ শক্তিশালী করতে তিনি নিরলসভাবে কর্মতৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন।
স্বাধীনতার চেতনায় বিশ্বাসী এম.তাজুল ইসলাম আওয়ামীলীগ সভানেত্রী, দেশরত্ম শেখ হাসিনার নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে যোগ্যতা ও বিচক্ষনতার পরিচয় দিচ্ছেন, তা বর্তমান বিশ্বে বিরল। দেশকে তিনি উন্নয়নের চাদরে মুড়িয়ে দিয়ে চরম দৃস্টান্ত স্হাপন করে চলেছেন। যোগ্য পিতার যোগ্য সন্তান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একজন পরহেজগার মহিলা হিসাবে দেশব্যাপী পরিচিত। ওনার প্রতিদ্ধন্ধি উনি নিজেই। অন্য কেহ নয়।
মানব জীবনের চরম বাস্তবতা হচ্ছে ধর্ম। মৃত্যুর আগে পরম করুনাময়ের কাছে নিজেকে সমর্পনের জন্য স্রস্টার আদেশ- নির্দেশ পালনের মধ্য দিয়ে একজন সাচ্চা মুসলমান হিসাবে তিনি তৈরী হচ্ছেন। নামাজ রোজা হজ্ব যাকাত ইসলামের এই চারটি মূল স্তন্ভ পালনের মাধ্যমে এম. তাজুল ইসলাম ক্রমশঃই এগিয়ে যাচ্ছেন মহান রাব্বুল আলামিনের সন্তুষ্ঠি লাভের প্রত্যয়ে।