
জাবেদ হোসাইন মামুন->>>
নেপালে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত বিমানের যাত্রী সোনাগাজীর বগাদানা ইউনিয়নের আউরারখিল গ্রামের প্রকৌশলী মতিউর রহমান পলাশের গ্রামের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম।
পলাশের ভাই মিজানুর রহমান জানান, তার ভাই পলাশ
ফেনী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে ইলেকট্রিক্যাল বিভাগে ডিপ্লোমা করে ঢাকায় রানার অটোমোবাইলসে কাজ করতো। অফিসের কাজেই তাকে নেপালে পাঠানো হয়েছিল। ৫ ভাই ও এক বোনের মধ্যে পলাশ সবার ছোট। সে বগাদানা ইউনিয়নের আউরারখিল গ্রামের আবদুর রশিদের বাড়ির মো. আমিন উল্লাহ মিয়ার পুত্র। প্রসঙ্গত; সোমবার চারজন ক্রু ও ৬৭ যাত্রী মিলে৭১ জন আরোহী নিয়ে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট ঢাকা থেকে রওনা দিয়ে নেপালের স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ২০ মিনিটে কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে পৌঁছায়। অবতরণের সময় বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। এরপর বিমানবন্দরের কাছেই একটি ফুটবল মাঠে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। নেপালের সেনাসূত্রে জানা গেছে, ৫০ জন নিহত হয়েছেন এই দুর্ঘটনায়। নিহতের তালিকায় পলাশের নাম রয়েছে। পলাশ নিহতের খবরে তার পরিবারের সদস্যদের মাঝে, গ্রামবাসী ও আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে।

