ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ চেয়ার প্রতিকের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষনা

আপডেট : December, 18, 2018, 9:53 am

স্টাফ রিপোর্টার->>>

নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষনা করলো চেয়ার মার্কার প্রার্থী ফেনী-৩ (সোনাগাজী-দাগনভূঞা) আসনে ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ এর মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মাঈন উদ্দিন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ এর নির্বাচনী ইশতেহার নিম্নরূপঃ-

১, নির্বাচন পদ্ধতির সংস্কার ও সরকারের প্রভাবমুক্ত স্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠন।
২, দূর্নীতির মূলোৎপাটনে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহন।
৩, শিক্ষা পদ্ধতির সংস্কার সহ শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হবে।
৪, কৃষি ও গ্রামীনফোন উন্নয়নে কৃষি নির্ভর শিল্পের প্রসার ও কৃষিকে উৎসাহিত করা।
৫, শিল্প-বানিজ্যের সম্প্রসারণের মাধমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধন করা।
৬,নারীর ক্ষমতায়ন তথা মর্যাদা ও অধিকার সুরক্ষায় পদক্ষেপ গ্রহণ।
৭, যুব উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বেকারত্ব দূরীকরণে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহন।
৮, স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন-সম্প্রসারণে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ।
৯, তথ্য-প্রযুক্তির উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহন।
১০, এন জি ও সমূহকে পৃষ্টপোষকতা দিয়ে জাতীয় উন্নয়ন কর্মকান্ড সম্প্রসারিত করা।
১১, ধর্মীয় সংখ্যালগুদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরনে সর্বাত্বক উদ্যোগ গ্রহন।
১২, শিশু অধিকার সুরক্ষায় একটি পুনাঙ্গ কার্যকর শিশুবান্ধব নীতিমালা প্রণয়ন করা।
১৩, ক্ষমতার বিকেন্দ্রিকরণের মাধ্যমে দেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা।
১৪, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা আনায়নের মাধ্যমে দক্ষতা সম্পন্ন জনপ্রশাসন গড়ে তোলা।
১৫, পরিবেশ বিপর্যয় রোধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহন করা।
১৬, উন্নত প্রশিক্ষণ, আধুনিক সমর সাজ-সরঞ্জামে সজ্জিত একটি দক্ষ প্রতিরক্ষা বাহিনী গড়ে তোলা।
১৭, স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব অক্ষুন্ন রেখে জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণই পররাষ্ট্রনীতিকে অন্যতম ভিত্তি হিসেবে গড়ে তোলা।
১৮, একটি শক্তিশালী ও কার্যকর জাতীয় সংসদ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহন।
১৯, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরনে উদ্যোগ গ্রহন।
২০, গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির বিকাশমান ধারা অব্যাহত রাখা।
২১, সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ নির্মূলে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন।
২২, যোগাযোগ ব্যবস্থা ভৌত অবকাঠামোর উন্নয়ন সাধন করা।
২৩, দেশে ও জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষায় পানি সমস্যার আশু সমাধানের পদক্ষেপ গ্রহন।
২৪, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহন হবে।
২৫, অবহেলিত হিজড়া সম্প্রদায়ের পুনর্বাসনে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহন।
২৬, বয়স্ক ভাতা, দুস্থ মহিলা ভাতা, বিধবা ও স্বামী পরিত্যাক্তাদের ভাতার পরিমান ও পরিধি বৃদ্ধি করা হবে।
২৭, অনগ্রসর জনগোষ্ঠী ও প্রতিবাদের জন্য কোটা চালু করা হবে।