খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম কমছে-আলোকিত সময়

আপডেট : October, 11, 2019, 8:52 pm

নিউজ ডেস্ক->>>

এদিকে পাইকারি বাজারে আবারও দাম বাড়ছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর পুরান ঢাকার পাইকারি ব্যবসাকেন্দ্র শ্যামবাজারে প্রতি কেজি ভারতীয় পেঁয়াজ ৬৫ টাকার বেশি দরে বিক্রি হয়েছে, যা কয়েক দিন আগে ৫৫ টাকায় নেমেছিল বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

অন্যদিকে দেশি হাইব্রিড জাতের পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ৭২ টাকার আশপাশে বিক্রি হয়েছে। এই দরও কয়েক দিন আগের তুলনায় কেজিতে ৪-৫ টাকা বেশি। একই হারে বেড়ে মিয়ানমারের পেঁয়াজ ৬০-৬২ টাকায় বিক্রি হয় বলে জানান বিক্রেতারা।

শ্যামবাজারের নবীন ট্রেডার্সের মালিক নারায়ণ চন্দ্র সাহা প্রথম আলোকে বলেন, বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ আবার কম। মাঝখানে বেড়েছিল। এতে দামও কমেছিল। তিনি বলেন, বেশ কিছু পেঁয়াজ পচে গেছে। যে কারণে ৫ হাজার টাকা বস্তার পেঁয়াজ এখন ১০০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে।

ভারত নিজেদের বাজার সামাল দিতে গত ২৯ সেপ্টেম্বর পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা করে। এরপর দেশে লাফিয়ে লাফিয়ে দাম বেড়ে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ১০০ টাকা ও ভারতীয় পেঁয়াজ ৯০ টাকায় ওঠে। সেরা মানের দেশি পেঁয়াজ ১২০ টাকাও চেয়েছিলেন ব্যবসায়ীরা। অবশ্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর সাম্প্রতিক ভারত সফরে পেঁয়াজের বিষয়টি তুললে আগে ঋণপত্র খোলা পেঁয়াজ রপ্তানির সুযোগ দেয় ভারত।

এদিকে ভারতে পেঁয়াজের দাম আরও বেড়েছে। টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক খবর বলছে, গত মঙ্গলবার মহারাষ্ট্রের নাসিকের লাসালগাঁও পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ৮০ রুপিতে উঠেছে। কারণ, স্থানীয় কৃষকেরা রপ্তানি বন্ধ ও মজুতে বিধিনিষেধের প্রতিবাদে নিলাম বর্জন করেছিলেন। এদিকে ভারতীয় পত্রিকাগুলো জানাচ্ছে, দেশটির সরকারি একটি সংস্থা পেঁয়াজ আমদানির জন্য ২ হাজার টনের একটি দরপত্র আহ্বান করেছে।

বাজারে ডিমের দাম তেমন কমছে না। ফার্মের মুরগির ডিম প্রতি ডজন ১১০-১১৫ টাকায় বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। এই দর সাধারণত ৯০-১০০ টাকার মধ্যে থাকে। যদিও এটা গত সপ্তাহে ১২০ টাকায় উঠেছিল।

এ ছাড়া বাজারে চাল, ডাল, চিনি, ভোজ্যতেল ইত্যাদি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে তেমন কোনো হেরফের নেই। বেড়েছে সবজির দাম। বিক্রেতারা জানান, এখন বেশির ভাগ সবজির দাম কেজিপ্রতি ৫০ থেকে ৭০ টাকা। যা আগের চেয়ে কেজিতে ১০-১৫ টাকা বেশি।

সূত্র, প্রথম আলো।