সোনাগাজীতে ধর্ষিত মাদ্রাসা ছাত্রীর দায়িত্ব নিলেন শামছুল আলম ভুট্টু | আলোকিত সময়

আপডেট : April, 30, 2020, 5:50 pm

বিশেষ প্রতিনিধি-

সোনাগাজীর বিষ্ণুপুরে চা-দোকানির মেয়ে ষষ্ঠ শ্রেণির ধর্ষিত ছাত্রীর পড়াশুনাও বিয়ের দায়-দায়িত্ব নিলেন আওয়ামী লীগ নেতা শামছুল আলম ভুট্টু।

গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ঘটে যাওয়া চা দোকানের বাড়িতে ছুটে যান ফেনীর সোনাগাজী-দাগনভূঞা ৩ আসনের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনয়ন প্রার্থী কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও জাপান আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক শামছুল আলম ভুট্টু।

তিনি ঘটনা শোনার পর ঐ এলাকায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এম এ হোসেনকে নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। ভিকটিমের সাথে কথা বলে পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনার জন্য সার্বিক সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস প্রদান করেন। যাতে করে এমন ঘটনা পুনরাবৃতি না ঘটে পারে সে ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইউপি চেয়ারম্যান ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি অনুরোধ জানান।

পরবর্তীতে ওই পরিবারের জন্য উপস্থিত রমজান মাসের খাদ্য সামগ্রী সহ ভিকটিমের পড়াশুনাও বিয়ে-শাদির সম্পূর্ণ দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

তিনি আলোকিত সময় কে বলেন, করোনার এমন নাজুক পরিস্থিতিতে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় তীব্র সমালোচনা করেন। ভবিষ্যতে ভিকটিম যেন সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখার জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সজাগ দৃষ্টি রাখার জন্য আহ্বান করেন। ডাকাত কখনো কোন দলের হতে পারে না, এলাকা শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সর্বদায় এলাকার মানুষের পাশে থাকবেন বলেও আশ্বাস প্রদান করেন।

প্রসঙ্গ : সোনাগাজীতে এক চা দোকানীর ঘরে ডাকাতি করতে গিয়ে স্বর্ণালংকার না পেয়ে ষষ্ঠ শ্রেণি পড়ুয়া মাদ্রাসা মেয়েকে ধর্ষণ করে স্থানীয় ডাকাত দল সদস্য। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে উপজেলার চর মজলিশপুর ইউনিয়নের কুঠিরহাটের পাশে বিষ্ণুপুর এলাকায় এঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে উপজেলার বিষ্ণুপুর এলাকায় এক ব্যবসায়ীর ভাড়া বাসায় হানা দেয় ৮-৯ জন মুখোশধারী সশস্ত্র ডাকাত । ডাকাতরা বাড়ির দরজার ছিটকিনি ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকে কাপড় দিয়ে হাত-পা বেঁধে অস্ত্রের মুখে পরিবারের সবাইকে জিম্মি করে ফেলে। এসময় ঘরে সামান্য টাকা ছাড়া স্বর্ণালংকার না পেয়ে ডাকাতদলের এক সদস্য ওই ব্যবসায়ীর মেয়েকে ঘরের অন্য একটি কক্ষে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষন করে।

ধর্ষনের মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত যোবায়ের ইসলাম সোহাগ দায় স্বীকার করে মঙ্গলবার ফেনীর আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্ধি প্রদান করে স্থানীয় 6 জন ডাকাতের নাম শিকার করে তাদের মধ্যে ১ জনকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।