দেশের এই দুঃসময়ে কোথায় বিত্তবান ব্যাংক লুটেরা ? আলোকিত সময়

আপডেট : May, 10, 2020, 11:48 pm

আলোকিত সময় ডেস্ক-

দেশের এই দু:সময়ে অনেক মন্ত্রী, এমপি ও রাজনীতিবিদ আজ লাপাত্তা। খবর নেই বহু বিত্তশালী, ধনাঢ্য ব্যবসায়ী, টাকা পাচারকারি ও ঋণ খেলাপী ব্যাংক লুটেরাদের। কোথাও দেখা যাচ্ছে না দেশের এসব বিতর্কিত ব্যক্তিদের। মহামারি করোনা ভাইরাস আক্রমনের দুই মাস অতিবাহিত হলেও গরিব, দু:খী ও দু:স্থ মানুষের পাশে এরা কেউ নেই। এ নিয়ে দেশজুড়ে চলছে নানা সমালোচনা ও মুখরোচক আলোচনা। অর্থনীতিবিদ ও দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা ঘাপটিমেরে থাকা ওইসব তথাকথিত বিত্তবান ও ধনাঢ্য ব্যবসায়ী, ব্যাংক লুটেরা, ঋণ খেলাপী, এমপি, ও রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহনের অনুরোধ করেছেন। অনেকে তাদের অবৈধ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করারও সুপারিশ করেছেন।

বরাবরের মত এবারও সেই একমাত্র বাতিঘর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেই শক্ত হাতে হাল ধরতে হয়েছে। তিনি প্রথম দিকেই ব্যবস্থা না নিয়ে মন্ত্রী, এমপি, আমলা ও রাজনীতিবিদদের ওপর ভরসা করলে দেশের অবস্থা যে কোথায় গিয়ে দাঁড়াতো, তা আল্লাহই জানেন। কিন্তু প্রশ্ন, হচ্ছে দেশের সব পরিস্থিতিতে কেন শুধুই প্রধানমন্ত্রী ভরসা ? তাহলে এত এত মন্ত্রী, উপদেষ্টা, বিরোধী দলীয় নেত্রী, এমপি, সচিব, মহা-ক্ষমতাধর নেতা, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, সিটি ও পৌর মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান-থেকে লাভ কী ? তাছাড়া এই মহাদুর্যোগে তাদের অনেককেই আজ জনসম্মুখে দেখাও যাচ্ছে না। কেউ কেউ আবার ক্ষমতাসীন দলের নাম ভাঙ্গিয়ে ত্রাণ চুরির মহোৎসবে মেতেও উঠেছেন। তাদের ব্যাপারেও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এবারই প্রথম গ্রেফতার, বরখাস্ত ও বহিষ্কারসহ বেশ কিছু শক্ত ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের করোনা বিপর্যয়ে বিত্তবান ব্যবসায়ী-শিল্পপতি ও জনপ্রতিনিধিদের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য একাধিকবার আহবান জানিয়েছেন। কিন্তু ওইসব স্বার্থপর ও মতলববাজরা নিজেদের দায়িত্ব তো পালন করেনই নি, উপরন্তু প্রধানমন্ত্রীর আহবানকেও তারা উপেক্ষা করে সুযোগ বুঝে গা ঢাকা দিয়েছেন।

সিপিডির অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, দেশের শতকরা ২৮ ভাগ সম্পদ মাত্র ৫০০ ধনাঢ্য ব্যক্তির পকেটে। আর সাড়ে ৮ কোটি মানুষের ভাগ্যে আছে মাত্র ২০ ভাগ সম্পদ। তাছাড়া টিআইবির এক গবেষণায় দেখা যায়, দেশে বর্তমানে ঋণ খেলাপীর পরিমান দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা। অর্থমন্ত্রী আ.হ.ম মোস্তফা কামাল বলেছেন, দেশে প্রতি বছর ১১ দশমিক ৯৯ শতাংশ হাওে ঋণ খেলাপী বৃদ্ধি পাচ্ছে। অপর এক গবেষণায় দেখা যায়, গত এক বছরে বিদেশে পাচার হয়েছে এক লাখ কোটি টাকা যা গত ৭ বছরে গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ কোটি টাকা। এর মধ্যে শিল্পপতি, ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ, ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও পরিচালক, প্রাক্তন মন্ত্রী-এমপির নামও রয়েছে।

দেশের প্রবীণ অর্থনীতিবিদ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদ, টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, বিআইডিএস-এর সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. নাজনীন আহমেদসহ বিশিষ্ট অনেকেই উপরোক্ত মন্তব্য করেছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, দেশের এই মহা দুর্যোগের সময় সরকারের একার পক্ষে অর্থনীতির বিপর্যয় রোধ করা সম্ভব নয়। স্বপ্রনোদিত হয়ে এগিয়ে আসতে হবে সকল শ্রেনীর বিত্তবানদের। গুটি কয়েক মন্ত্রী, এমপি ও শিল্পপতি-যারা দু:সময়ে এগিয়ে এসে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তাঁরা প্রশ্ন রেখেছেন, অন্যরা কোথায় ? কোথায় আজ ব্যাংক লুটেরা ও ঋণ খেলাপী এবং বিদেশে অর্থপাচারকারিা ? যারা মালয়েশিয়া, লন্ডন, কানাডা, সিঙ্গাপুর, আমেরিকা ও দুবাই সহ বিশে^র বিভিন্ন দেশে বাড়ি, গাড়ি ও ব্যবসা করছেন, আজ তারা কোথায় ? পানামা কেলেংকারির সঙ্গে জড়িত দেশের চিহ্নিত ব্যবসায়ীরাও আজ লোক চক্ষুর অন্তরালে কেন ?

আজ কেন মানুষের পাশে নেই সাড়ে তিনশ’ এমপি ও ৫৮ জন মন্ত্রীর সবাই ? প্রধানমন্ত্রীর ৮ উপদেষ্টাসহ ৬৪ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও প্রায় ৪০০ উপজেলা চেয়ারম্যানের তৎপরতাও তো চোখে পড়ছে না। মাঠে, ময়দানে ও গরীব-দু:স্থ মানুষের পাশে দেখা যাচ্ছে না কেন হাজার হাজার সুবিধাভোগী রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের ? রাজনীতির নামে যারা বড় বড় কথা বলেন, দেশের সব কিছুতে যাদের বক্তৃতা, বিবৃতিতে সবাই তটস্থ থাকেন সেইসব বাচক রাজনীতিবিদ যুক্তফ্রন্টের ডা. বদরোদ্দোজা চৌধুরী, জাতীয় পার্টির বেগম রওশন এরশাদ, গণফেরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন, ড. কিবরিয়া, জাসদের আসম আব্দুর রব, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, সদ্য সাবে মন্ত্রী জাসদের হাসানুল হক ইনু ও ওয়াকার্স পার্টির রাশেদ খান মেনন, সিপিবির মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের আব্দুল কাদের সিদ্দিকী, বিএনপির মির্জা ফখরুল, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, ড, মোমেন খান, কর্ণেল (অব.) অলী আহমেদ, তৃণমূল বিএনপির ব্যারিস্টার নাজমূল হুদাসহ অন্যরা আজ কোথায় ? কোথায় আজ নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ২৯ টিসহ শতাধিক রাজনৈতিক দলের নেতারা ? প্রায় অর্ধশত ইসলামিক নাম ব্যবহারকারি দলগুলোরও তো কোন খবর নেই। আর লাপাত্তা বাম ঘরোনার বড় বড় কথা বলার ও বিবৃতি দেওয়ার দলগুলোও। সিপিডির হিসেবে দেশে যে ৩০ লাখ কোটিপতি ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, মন্ত্রী, এমপি, সাবেক মন্ত্রী ও এমপিসহ নাগরিক রয়েছেন, তারা আজ কোথায় ?

কেন আজ মানুষের পাশে দেখা যাচ্ছে না এফবিসিসিআইসহ এক ডজন চেম্বার অব কমার্সের কেন্দ্রীয় নেতারা ? কোথায় আজ দেশের সম্পদ লুটকারি রাতারাতি বিত্ত বৈভবের মালিকরা ? প্রশ্ন হচ্ছে কেন নাই তারা ? দেশের প্রতি, দেশের মানুষের প্রতি, এই মহা দুযোর্গে তাদের কি কোন করনীয় নেই ?

দেশের এই দুর্যোগে মাঠে ময়দানে নেমে গরীব দু:খী দু:স্থ মানুষের পাশে হাতে গোনা যেসব মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, এমপি, রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী-শিল্পপতি দাঁড়িয়েছেন,তাদের খবর ও চেহারা ইতিমধ্যেই গণমাধ্যমের কল্যাণে দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছেন। এটা কোন লুকো-ছাপির ব্যাপার নয়। ‘বৃক্ষ তোমার নাম কি, ফলে পরিচয়’-যারা নিজ দায়িত্ববোধ থেকে জাতির দু:সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তারা তো অবশ্যই ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য।

এদের পাশাপাশি আবার কিছু কিছু প্রতিমন্ত্রী, এমপি সামান্যসংখ্যক মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করে তা আবার ফলাও করে পত্রিকায় তুলে ধরছেন- এ নিয়ে সমালোচনাও করা ‘ধিক’! আওয়াজ দিচ্ছেন। বিশিষ্টজনেরা বলছেন, এটা খুবই দুঃখজনক। এই দুর্দিনে বিত্তশালী, ধনী, সম্পদশালী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের এগিয়ে আসা উচিত। মানুষের পাশে দাঁড়ানো উচিত। তারা বলছেন, বিত্তশালীরা প্রণোদনা নিয়ে ব্যস্ত। তাদের সময় কই দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর! তবে তারা এ কথা বলছেন, কিছু কিছু বিত্তশালী মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন গোপনে। তারা প্রচার-প্রচারণার কোনো পরোয়া করেন না। আন্তরিকতার সঙ্গে প্রসারিত করে রেখেছেন সহযোগিতার হাত।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের প্রভাবে প্রায় দুই মাস ধরে দেশ বিপর্যস্ত। প্রায় সব জেলায় এ সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ২৬ মার্চ শুরু হওয়া লাগাতার সাধারণ ছুটিতে নাকাল খেটে খাওয়া, স্বল্প আয়ের আর দিন আনে খায় এমন মানুষ। সরকারের পাশাপাশি দেশের বিত্তশালী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে দুর্দশাগ্রস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য বারবার সরকারের তরফ থেকে আহ্বান জানানোর পরও আশানুরূপ সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না।

এই কঠিন পরিস্থিতিতে মানবকল্যাণে অবদান রাখতে দেখা যাচ্ছে না দেশের বিত্তশালীদের, নামিদামি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বিদেশে অর্থ পাচারকারী হিসেবে খ্যাত বিত্তশালী, ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছেন এমন শিল্পমালিক, ব্যাংক লুটেরাদের। করোনাকালে সবাই যেন ঘাপটি মেরে আছেন। তাদের পক্ষ থেকে নেই কোনো মানবিক উদ্যোগ। এই বিত্তশালী ব্যবসায়ী, শিল্পপতিদের মতো মাঠে নেই দরিদ্র মানুষের বন্ধু হিসেবে গলা ফাটানো রাজনীতিবিদের বেশির ভাগই। সরকারের বেশির ভাগ মন্ত্রী ও সরকারদলীয় সংসদ সদস্যের বড় অংশও ঘাপটি মেরে আছেন। কিছু কিছু এলাকায় হাতে গোনা কয়েকজন মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য মাঠে থেকে দরিদ্র মানুষের সমস্যার কথা শুনে তাদের সহায়তার চেষ্টা করছেন।

সম্প্রতি রাজধানীর একটি বড় হাসপাতাল বিক্রি হয়েছে মোটা অঙ্কে। ওই হাসপাতালে সরকারের একজন মন্ত্রীরও শেয়ার ছিল। বিত্তশালী সেই মন্ত্রীকেও দরিদ্র মানুষের পাশে দেখা যাচ্ছে না। তার মতো আরও অনেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন যারা বড় ব্যবসায়ী ও বিত্তশালী। তাদের কাউকেই মানবিক সাহায্য নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াতে দেখা যায়নি গত দেড় মাসেও। আবার কতিপয় প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য অনেক বিত্তশালী হলেও তারা যে পরিমাণ সাহায্য দিয়েছেন তা নিয়েও নানা সমালোচনা আছে। অনেকেই বলছেন, এসব প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্য দান করেছেন ‘পিঁপড়ে’ আর সংবাদপত্রে প্রচার পাওয়ার জন্য ‘হাতি’ দান করার ভঙ্গিতে ফটোসেশন করছেন। অথচ তারা এক দুই মাস নিজ এলাকার দরিদ্র মানুষের তো বটেই আশপাশ এলাকার মানুষকেও খাবার দেওয়ার সামর্থ্য রাখেন।

মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের মতো মাঠে নেই দেশের বেশির ভাগ পৌরসভার মেয়র। রাজধানীতেও নেই নবনির্বাচিত মেয়র। বিরোধী দলের অনেক প্রভাবশালী রাজনীতিক ও সংসদ সদস্যকেও বক্তৃতা-বিবৃতি দেওয়া ছাড়া কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। অথচ তাদের অনেকে বিত্তশালী। সাহায্য দেওয়া বা মানুষের পাশে দাঁড়ানো দূরের কথা, এই সংকটের সময় ফোনেও তারা মানুষের কোনো খোঁজ নিচ্ছেন না।

বিত্তশালী ব্যবসায়ী ও রাজনীতিকের মধ্যে যাদের বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে, ব্যাংক লুটের অভিযোগ রয়েছে, যারা মালয়েশিয়া ও কানাডায় সেকেন্ড হোম করেছেন, কানাডার বেগমপাড়ায় বাড়ি করেছেন তাদের ছায়াও চোখে পড়ে না দেশের এই দুর্যোগের সময়ে। সবাই নিজেকে আড়াল করে রেখেছেন। ঘাপটি মেরে আছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এভাবে চলতে থাকলে সংকট মোকাবিলা কঠিন হয়ে পড়বে।

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. নাজনীন আহমেদ বলেন, ‘দেশের এই ক্রান্তিকালে সবার এগিয়ে আসা উচিত। বিশেষ করে ধনবান ব্যক্তি, শিল্পপতি, সমাজপতিদের এগিয়ে আসা উচিত। দরিদ্র মানুষ ও সরকারের পাশে দাঁড়ানো উচিত। কিন্তু দু-একটি গ্রুপ অব কোম্পানি বাদে অন্যরা হাত গুটিয়ে বসে আছেন। এটা খুবই দুঃখজনক।’

বেসরকারি সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)-এর নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘সমাজের বিত্তশালী, মন্ত্রী ও এমপিরা দুর্যোগে মানুষের পাশে না থাকার বিষয়টি ভালোভাবে দেখছি না। মন্ত্রী-এমপিরা নীতিনির্ধারক, তাদের প্রতি মানুষে প্রত্যাশা বেশি। কিন্তু এখন তারা কোথাও নেই। একদিকে অনাহার, আরেকদিকে অসুস্থতা। এটা অমানবিক। অথচ তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত। আর বিত্তশালীরা এখন সরকারের নগদ প্রণোদনা পাওয়া নিয়ে ব্যস্ত। আবার অনেকে গোপনে সাহায্য করছেন, কিন্তু কাউকে বলতে চান না। দুটো দিকই আছে।

রফিকুল ইসলাম রতন

সম্পাদক- দৈনিক স্বদেশ প্রতিদিন।