ফেনী জেলায় স্কুল ছাত্র, জনপ্রতিনিধি, স্বাস্থ্যকর্মী ও পুলিশ সহ ৫৫ জনের করোনা শনাক্ত

আপডেট : June, 13, 2020, 7:41 pm

জাবেদ হোসাইন মামুন->>>
ফেনী জেলায় নতুন করে আরও ৫৫ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে জনপ্রতিনিধি, স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিশ, সরকারি কর্মচারী, স্কুল ছাত্র রয়েছেন। স্বাস্থ্য বিভাগের হিসাব অনুযায়ী এনিয়ে জেলায় কোভিডে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৬৬জন। সুস্থ্য হয়েছেন ১০৫ জন। সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
শুক্রবার নোয়াখালী আব্দুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজে ফেনীর ১৫৯ টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। তার মধ্যে ৫৭ টি নমুনা পজেটিভ যার ২টি ২য় নমুনা। তাই ফেনীতে নতুন আক্রান্ত রোগী ৫৫ জন। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ফেনী সদরে ২০ জন, সোনাগাজীতে ২৬ জন,পরশুরামে ৮ জন ও ছাগলনাইয়ায় ১ জন।
ফেনীর সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, নতুন করে সংক্রমিত ব্যক্তিদের মধ্যে সদর উপজেলায় ১৬জন, সোনাগাজীতে ২৬জন, পরশুরামে ৮জন, ছাগলনাইয়ায় ২জন রয়েছেন।এদের মধ্যে একজন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, তিনজন ইউপি সদস্য, ২ জন পুলিশ, ৩ জন স্বাস্থ্যকর্মী, একজন সরকারি কর্মচারী আছেন।

জনপ্রতিনিধিরা সবাই পরশুরাম উপজেলার বাসিন্দা। এ উপজেলায় অপর চারজনের মধ্যে দুইজন স্বাস্থ্যকর্মী, একজন পুলিশের এএসআই ও একজন স্কুল ছাত্র।
সোনাগাজী উপজেলায় ২৬ জনের মধ্যে একজন স্বাস্থ্য বিভাগীয় কর্মী, একজন পরিসংখ্যানবিদ, একজন উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা, তিনজন পুলিশ সদস্য। চরদরবেশ ইউনিয়নের দক্ষিন চরসাহাভিকারী এলাকায় স্কুল শিক্ষক সহ একই পরিবারের ৪ জন রয়েছেন। এছাড়া সোনাগাজী পৌরসভা এলাকায় ৫ জন, মতিগঞ্জ ইউনিয়নে ৭ জন, নবাবপুর ইউনিয়নে ২ জন ও ২ জন আমিরাবাদ ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনজন ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নমুনা দিয়ে শনাক্ত হয়েছেন।

ছাগলনাইয়া উপজেলায় আক্রান্ত ব্যক্তি শুভপুর ইউনিয়নের জয়পুর এলাকার বাসিন্দা। ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নমুনা এ উপজেলার আরেকজন আক্রান্ত হয়েছেন।
গত ১৬ এপ্রিল জেলায় প্রথম এক যুবকের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এরপর থেকে জেলায় ধারাবাহিকভাবে করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার বেড়ে চলছে।
শনিবার পর্যন্ত ৩ হাজার ২০৯ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে প্রেরণ করা হলে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেজ (বিআইটিআইডি), চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় এবং নোয়াখালী আবদুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজ থেকে শনিবার পর্যন্ত ২ হাজার ৬৮০ জনের প্রতিবেদন আসে।