বার কাউন্সিল প্রিলি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের বার সনদের দাবিতে ফেনীতে মানববন্ধন

আপডেট : June, 30, 2020, 9:26 pm

আলোকিত সময় ডেস্ক>>>

 

 

করােনা ভাইরাসের মহামারির কারণে লিখিত পরীক্ষা অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য অনিশ্চিত হওয়াই ২০১৭ ও ২০২০ ইং সালের প্রিলি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকল শিক্ষানবীশ আইনজীবিদের গেজেট প্রকাশ করে সনদ প্রদান ও ২০১৭ সালের মহামান্য হাইকোর্টের আপিল বিভাগের রায় অনুসারে প্রতিবছর পরীক্ষা শুরু করে একই বছরে ক্যালেন্ডার অনুসারে শেষ করার দাবিতে
ফেনী জেলা শিক্ষানবীশ আইনজীবী পরিষদ কর্তৃক মানববন্ধন করা হয়েছে।আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় ফেনী জেলা শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এই সময় শিক্ষানবীশ আইনজীবী এবিএম নরুল আমিন বলেন , বৈশ্বিক করােনাভাইরাস মহামারীতে মানুষের জীবন বাঁচানাের জন্য যখন ঘরে অবস্থান করছে।তখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশের শিক্ষানবীশ আইনজীবীরা আজ তারা রাস্তায় যা অত্যন্ত দুঃখজনক । বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের বিধি ও মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী প্রত্যেক ৬ মাস পর পরীক্ষা গ্রহণ করার কথা থাকলেও কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও দায়িত্বহীনতার কারণে তা আড়াই থেকে তিন বছরও লেগে যায় । আবার একবার প্রিলি এমসিকিউ পরীক্ষা শুরু করলে তা শেষ করতে দেড় বছর সময় লেগে যায়।বিনা বেতন ও সম্মানীভাতা বিহীন এই স্বাধীন পেশায় বছরের পর বছর সময় নষ্ট করে পর্যায়ক্রমে পিলি , লিখিত , ভাইবাসহ তিনটি পরীক্ষা নিচ্ছে তারা।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষানবীশ আইনজীবীরা আরো জানান,পরীক্ষায় ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পাশের হার নিয়েও চরম হতাশা ও অসন্তুষ্ট রয়েছেন শিক্ষানবীশ আইনজীবীরা । এই রকম অদ্ভুত , দীর্ঘসূত্রতার পদ্ধতির পরীক্ষা নেওয়া বিধান বিশ্বের আর কোথাও নজির নেই।যা বাংলাদেশের প্রায় ৭০ হাজার শিক্ষানবিশ আইনজীবীর জন্য আজ বিষফোড়ায় পরিণত হয়েছে ।
২০১৪ সালের শিক্ষানবিশ আইনজীবীদের রিটের প্রেক্ষিতে ২০১৭ ইং সালে মহামান্য হাইকোর্টের আপিল বিভাগের রায়ে প্রত্যেক বছর পরীক্ষা শুরু করে তা একই বছরের ভিতর শেষ করার নির্দেশ দেয়া থাকলেও বাংলাদেশ বার কাউন্সিল ওই রায়ের আদেশেকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বছরের – পর – বছর পরীক্ষা না নিয়ে তারা চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয়। তাদের এই দায়িত্বহীনতা , উদাসীনতা ও অবহেলার কারণে আজ দেশের শিক্ষানবিশ আইনজীবীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে । তারা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন , মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সকল সেক্টরের দিকে আপনি লক্ষ্য রেখে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন ।দয়া করে বার কাউন্সিলের দিকে আপনি একটু নজর দিন । এই করােনা মহামারীর কারণে ১৭ ও ২০ সালে যারা প্রিলি ( এমসিকিউ ) পরীক্ষায় উত্তীর্ণদেরকে দ্রুত গেজেটের মাধ্যমে সনদের ব্যবস্থা এবং প্রতি বছর পরীক্ষা নিয়ে সকল শিক্ষানবীশ আইনজীবীদের সামাজিক ভাবে জীবন যাপনের ব্যবস্থা করে বেকারত্ব অভিশাপ দূর করার দাবি তােলেন তারা।