সোনাগাজীতে রাতের আঁধারে মালামাল লুট করে দোকান ঘর দখলের অভিযোগ

আপডেট : October, 29, 2020, 7:45 pm

স্টাফ রিপোর্টার->>>
ফেনীর সোনাগাজীতে রাতের আঁধারে মালামাল লুট করে আবদুল মালেক ওরফে জাকির হোসেন নামে এক ব্যক্তির দোকান ঘর জবর দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ২৭অক্টোবর মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে সোনাগাজী পৌর এলাকার উৎসব কমিউনিটি সেন্টারের সামনে। এ ব্যপারে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানী আবদুল মালেক ওরফে জাকির হোসেন বাদি হয়ে তার সহোদর মিজানুর রহমানের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ৭-৮জনকে আসামি করে সোনাগাজী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
প্রাপ্ত অভিযোগে জানা গেছে, পৌর এলকার ৯নং ওয়ার্ডের চরগণেশ গ্রামের লেদার বাড়ির মৃত মো. সেকান্তর মিয়ার ছেলে আবদুল মালেক জাকির হোসেন গত প্রায় সাড়ে তিন বছর পূর্বে সৌদি থেকে দেশে ফিরে নিজের পিতার মালিকীয় জমিতে ৬ কক্ষ বিশিষ্ট একটি মার্কেটের তার মালিকীয় একটি কক্ষে মেসার্স তানহা এন্টার প্রাইজ নামে একটি রড সিমেন্টের দোকান ঘর চালু করেন। এনসিসি ব্যাংক থেকে ৫লাখ টাকা এবং স্থানীয় একাধিক এনজিও থেকে সাড়ে ৬ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে দোকানে পুঁজি বিনিয়োগ করে ব্যবসা করে আসছেন। তার পাশের কক্ষে তার সহোদর মিজানুর রহমান চা দোকান করে আসছে। জাকিরের ব্যবসার সফলতা দেখে মিজানুর রহমান প্রতিহিংসার বশিভুত হয়ে দোকান ঘরটি জবর দখল করতে মরিয়া হয়ে উঠেন।
২৭ অক্টোবর মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে প্রতিদিনের ন্যায় নিজের মালিকীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তানহা এন্টার প্রাইজ বন্ধ করে বাড়িতে চলে যান জাকির। এদিকে রাত আনুমানিক ১২টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে তার ৭-৮জন ভাড়াটে সন্ত্রাসী জাকিরের মালিকীয় দোকানের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে দোকানে থাকা ৬০ হাজার টাকা মূল্যের ১২০ ব্যগ সিমেন্ট, ১লাখ ৯৫ হাজার টাকা মূল্যের কেএসআরএম ব্র্যান্ডের তিন টন লোহার রড, ৩৩ হাজার টাকা দামের ১৫টি এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার, ৪২ হাজার টাকা দামের স্কেল, ক্যাশ বাক্স, চেয়ার আসবাবপত্র এবং ক্যাশে থাকা নগদ ৫৪ হাজার টাকা সহ প্রায় ৩ লাখ ৮৪ হাজার টাকা ও মালামাল লুটে নেয়। শুধু তাই নয়, দুর্বৃত্তরা দোকানের পার্টিশন দেয়াল ভাঙচুর করে তার চা দোকানের সাথে একাকার করে জবর দখল করে নেয়। সকালে তিনি বিষয়টি জানতে পেরে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন বলে দাবি করে ফেনীর পুলিশ সুপার, সোনাগাজী মডেল থানার ওসি এবং র‍্যাবের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সোনাগাজী মডেল থানার এসআই জাহাঙ্গীর আলম অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।