সোনাগাজীতে গুচ্ছগ্রাম নির্মাণের পাঁয়তারার প্রতিবাদে উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউএনও এবং এ্যাসিল্যান্ডের কাছে এলাকাবাসীর স্মারক লিপি

আপডেট : May, 23, 2021, 9:06 pm

জাবেদ হোসাইন মামুন->>>>
সোনাগাজী সদর ইউনিয়নের চরশাহাপুর ও চরখোয়াজের লামছি মৌজায় তিন ফসলি জমিতে আরো একটি গুচ্ছগ্রাম নির্মাণের পাঁয়তারার প্রতিবাদে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি কমিশনার (ভূমির) কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন এলাকাবাসী।
শাহাপুরের সর্বস্তরের জনতা ও তিন ফসলি ভূমি রক্ষা কমিটির পক্ষ থেকে রোববার সকালে এই পৃথক তিনটি স্মারকলিপি তাদের হাতে তুলে দেয়া হয়। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জহিরুল হায়াত ও সহকারি কমিশার (ভূমি) মো. জাকির হোসেন স্মারকলিপি গ্রহণ করে এলাকাবাসীর দাবির প্রক্ষিতে তিন ফসলি জমি নষ্ট না করে এবং সামাজিক অবক্ষয় না ঘটিয়ে অন্যত্র স্থানান্তরের আশ্বাস দেন। স্মারকলিপিগুলো প্রদানের সময় তিন ফসলি ভূমি রক্ষা কমিটির সভাপতি নূরুল হুদা বেগু, সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল, নাছির উদ্দিন ও আজিজুল হক প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত; এর আগে শনিবার বিকাল চারটায় একই দাবিতে সোনাগাজী-মুহুরী প্রজেক্ট সড়কে শাহাপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে দুই সহস্রাধিক নারী পুরুষ একত্রিত হয়ে শাহাপুরের সর্বস্তরের জনতা ও তিন ফসলি ভূমি রক্ষা কমিটির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল, প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেন। গ্রামবাসীর দাবি চরশাহাপুর গ্রামে ইতোপূর্বে দুটি গুচ্ছগ্রাম বা আশ্রয়ণ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে। এর মধ্যে চরশাহাপুর গ্রামের ও চরখোয়াজের লামছি মৌজায় তিন ফসলি জমিতে আরো একটি গুচ্ছগ্রাম নির্মাণের পাঁয়তারা করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে লাল নিশানা দিয়ে ভূমিগুলোতে গুচ্ছগ্রাম নির্মাণের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। গ্রামবাসীর দাবি চিহ্নিত ভূমিতে তিন ফসল চাষ করে গ্রামবাসী জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। দুটি গুচ্ছগ্রাম থাকা স্বত্ত্বেও একই গ্রামে আরো একটি গুচ্ছগ্রাম নির্মিত হলে তিন ফসলি ভূমি ধ্বংসের পাশিপাশি সামাজিক অবক্ষয়েরও আশংকা করেন তারা। সামাজিক স্থিতিশীলতা ও তিন ফসলি ভূমি রক্ষায় অন্য মৌজায় প্রস্তাবিত গুচ্ছগ্রাম নির্মাণের দাবি জানান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ অনুযায়ী ফসলি জমি রক্ষা করেই গুচ্ছগ্রাম নির্মাণের আহবান করেন তারা।