চরলক্ষ্মীগঞ্জ বড় বাড়ি জামে মসজিদ কমিটির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট : June, 1, 2021, 5:53 pm

স্টাফ রিপোর্টার->>>ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার চরমজলিশপুর ইউনিয়নের চরলক্ষ্মীগঞ্জ বড় বাড়ির দরজার জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধে দুই ব্যক্তির অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ওই মসজিদ পরিচালনা কমিটি। মঙ্গলবার সকালে ওই মসজিদে এলাকাবাসী ও মসজিদ পরিচালনা কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, মসজিদ কমিটির পরিচালনা কমিটির সভাপতি হাজী জহিরুল হক, সেক্রেটারি মো. আবু জাফর, সহ-সভাপতি আবু বক্কর ছিদ্দিক, মেজবাহ উদ্দিন, সহ-সেক্রেটারি মহি উদ্দিন, দীন মোহাম্মদ, কোষাধ্যক্ষ হারুনুর রশিদ ও সদস্য নজরুল ইসলাম প্রমূখ। তারা অভিযোগ করেন, ধর্মপ্রাণ এলাকাবাসীর সার্বিক প্রচেষ্টায় ১৮৩০ সালে আট শতক জমিতে মসজিদটি প্রতিষ্ঠিত হয়। কালের বিবর্তনে মসজিদের জন্য ধর্মপ্রাণ এলাকাবাসী বর্তমানে প্রায় ৩০ শতক জমি দান করেছেন। মসজিদের মাঠ সম্প্রসারণ ও টয়লেটের টাংকি নির্মাণ করতে সর্বসম্মতিক্রমে মসজিদের পাশের জমি খনন করা হয়েছে। তারা আরো দাবি করেন, একজন মৃত মানুষের জানাজা ও ঈদের নামাজ আদায় করতে মসজিদের মাঠ সম্প্রসারণ করা হয়েছে। খননকৃত জমির পাশে এক শতক জমির ভোগদখলকার রয়েছেন ওই গ্রামের চাঁন মিয়া ডাক্তার বাড়ির সামছুল হক। তার সাথে মসজিদের নামের আরেক খন্ড জমি এওজ বদলের জন্য মসজিদের পরিচালনা কমিটির সাথে মৌখিক সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। মসজিদ পরিচালনা কমিটি সামছুল হক কে সে জমিতে মাটি ভরাট করেও দেন। তাকে রেজিস্ট্রি করে দেয়ার জন্য বললে বাদসাধেন তার দুই পুত্র এমদাদুল হক ও মোজাম্মেল হক। তারা এওজ বদলের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মসজিদ পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার চালাতে থাকেন। সামছুল হকের মালিকীয় জমিতে কোন প্রকার কবর বা কবরাস্থান না হলেও জমিটি কবরাস্থান বলে অপপ্রচার চালাচ্ছেন তার দুই সন্তান। তাদের দাবি মসজিদের জমি খননের ফলে সামছুল হকের মালিকীয় এক শতক জমির কোন প্রকার ক্ষতিও হয়নি বা হবেওনা। এরপরও সামছুল হক যদি জমিটি মসজিদ কমিটির সাথে এওজ বদল করে নেন, তাহলে মসজিদের পাশে রক্ষিত আরেক খন্ড জমি তিনি নিতে পারবেন। এর ফলে মসজিদের মাঠ সম্প্রসারণ, ঈদগাঁ ও টয়লেটের টাংকি স্থাপন সহ সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু সামছুল হকের দুই পুত্রের এক ঘেঁয়েমি সিদ্ধান্তের কারণে জমিটি এওজ বদল না করে কমিটি ও এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। ধর্মপ্রাণ এলাকাবাসী আরো দাবি করেন, মসজিদের জমিতে মসজিদের স্বার্থে মাটি খনন করা হয়েছে। কারো ব্যক্তিগত লাভ বা প্রতিহিংসায় নয়। মসজিদ কমিটি সব সময় সামছুল হকের উপকারে শ্রদ্ধাশীল রয়েছেন।মাটি খননের ফলে সামছুল হকের মালিকীয় জমির কোন হয়নি বা ক্ষতি হওয়ার আশংকা নেই বলে তারা দাবি করেন। কিন্তু সামছুল হকের ছেলে এমদাদুল হক ও মোজাম্মেল হক প্রতিহংসায় উম্মাত্ত হয়ে মসজিদ কমিটির সদস্যদের ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছেন। তারা শান্তিপ্রয় ধর্মপ্রাণ লোকদেরকে বখাটে বলেও অপপ্রচার চালাচ্ছেন। তাদের এই ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচারের তারা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।