জামাই আলম গংদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ডাক বাংলার ব্যবসায়ী মামুন মিয়াজীর পরিবার

আপডেট : June, 10, 2021, 11:56 pm

স্টাফ রিপোর্টার->>>
ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার মঙ্গলকান্দি ইউনিয়নের মীর্জাপুর গ্রামের কাশেম মিয়াজী বাড়ির ঘর জামাই নূরুল আলম ওরফে জামাই আলম গংদের শারীরিক-মানষিক নির্যাতন ও অব্যাহত প্রাণ নাশের হুমকিতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে একই বাড়ির বাসিন্দা এবং ডাক বাংলার ফ্যামেলি বাজারের মালিক মো. মামুন মিয়াজী তার পরিবারের সদস্যরা। দাবিকৃত দুই লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে এমন অমানুষিক নির্যাতন চালাচ্ছে বলে ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ। জামাই আলম ও তার ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের অব্যাহত অত্যাচার-নির্যাতন ও হামলা -ভাঙচুরের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলা তুলে নিতে মামুন মিয়াজীকে হত্যার পরিকল্পনা সহ নানা অঘটনের অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে দুর্বৃত্তরা। মামুন মিয়াজী ও তার পরিবারের সদস্যদের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সোনাগাজী মডেল থানায় ৯জুন একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। প্রাপ্ত অভিযোগে জানা গেছে, মীর্জাপুর গ্রামের মরহুম কাশেম মিয়াজীর ছেলে মো. মামুন মিয়াজী ডাক বাংলার ফ্যামেলি বাজারের মালিক। তাঁর বাড়িতে ঘর জামাই হিসেবে থাকা নূরুল আলম ও তাঁর ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছে। দাবিকৃত চাঁদা না পেয়ে গত ২৭ মে জামাই আলম, তার ছেলে মো. নিরব ও স্ত্রী মাসুদা আক্তার সহ ৫-৬জন ভাড়াটে সন্ত্রাসী এনে মামুন মিয়াজী ও তাঁর বৃদ্ধা মা সাফিয়া খাতুনের উপর হামলা চালিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। এসময় তাঁর কাছে থাকা পাঁচ হাজার টাকা চিনিয়ে নেয় সন্ত্রাসীরা। তাঁর বসত ঘরে হামলা-ভাংচুর চালিয়ে প্রায় ৯০হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করে। এ ঘটনায় মামুন মিয়াজী তিনজনের নাম উল্লেখ করে ফেনীর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গত ৩০ মে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-১৯৪/২০২১খ্রিস্টাব্দ। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে ফেনীর (ডিবি) গোয়েন্দা পুলিশকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দেন। আদালতের আদেশে মামলাটি ডিবি পুলিশ তদন্ত করছে। এতে জামাই আলম ও তাঁর ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা আরো ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। মামলাটি প্রত্যাহারের জন্য প্রকাশ্যে প্রাণ নাশের হুমকি দিতে থাকেন। গত আট জুন দুপুরে বাড়িতে গিয়ে অকথ্য ভাষায় গালি দিয়ে মামলা প্রত্যাহারের জন্য চাপ দিতে থাকেন। প্রত্যাহার না করলে প্রকাশ্যে প্রাণ নাশের হুমকি দেন। একই দিন রাত ১১টার দিকে জামাই আলম ও তাঁর ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা মামুন মিয়াজীর বাড়ি ফেরার পথে লাঠিসোঠা নিয়ে মীর্জাপুর গ্রামের সড়কের উপর হত্যার পরিকল্পনা করে। স্থানীয়দের সর্বাত্মক সহযোগিতায় ও নিজের বুদ্ধিমাত্ত্বায় মামুন মিয়াজী প্রাণে বেঁচে যান। সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী চক্রটি যে কোন সময় মামুন মিয়াজী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বড় ধরণের ক্ষতি সাধনের আশংকা করেছেন মামুন মিয়াজী। তিনি সোনাগাজী মডেল থানার ওসি সাজেদুল ইসলামের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।